ফরহাদ রহমান স্টাফ রিপোর্টার : কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে ৩৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা জব্দ করেছে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)। এসব ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়েছে। অন্য অভিযানে ইয়াবা ফেলে পালিয়ে গেছেন এক ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টার মধ্যে হোয়াইক্যং বিওপি ও চেকপোস্ট এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
৬৪ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল ক্যারেঙ্গাঘোনা এলাকায় রহিমের মাছের ঘেরের কাছে দায়িত্ব পালন করছিল। এ সময় মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তিকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁকে চ্যালেঞ্জ করা হলে পোটলাটি ফেলে পাশের মনিরঘোনা গ্রামের দিকে পালিয়ে যান তিনি।
পরে ফেলে যাওয়া পোটলা তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী তিনটি প্যাকেট থেকে আনুমানিক ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে হোয়াইক্যং চেকপোস্টে হ্নীলা থেকে কক্সবাজারগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৩ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা। মাইক্রোবাসের চালকের আসনের পেছনের একটি বক্সে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় এসব ইয়াবা পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক মো. ফারুক (২২) ও হেলপার আজিম উল্লাহকে (২১) আটক করা হয়। ফারুক উখিয়ার কুতুপালং ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৫ ব্লকের বাসিন্দা। আজিম উল্লাহ টেকনাফের জাদিমুড়া ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৯ ব্লকের বাসিন্দা।
বিজিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন জানিয়েছেন, তাঁরা হ্নীলা থেকে ইয়াবা কিনে বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে মাইক্রোবাসটিতে আরও তল্লাশি চালিয়ে অতিরিক্ত কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মাদক পাচার ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
https://slotbet.online/