কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে পৃথক দুটি অভিযানে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ৬৪ বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ও সকালে পালংখালী ও হ্নীলা বিওপির বিশেষ টহল দল এসব ইয়াবা উদ্ধার করে। এ সময় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
৬৪ বিজিবি সূত্র জানায়, ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল আনজুমানপাড়া ফাইসাখাল এলাকার শফিকের ঘেরের দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে বেড়িবাঁধে টহল দিচ্ছিল। এ সময় মিয়ানমার থেকে এক ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে সে ব্যাগটি ফেলে নাফ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেট থেকে প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হ্নীলা বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকায় নিয়মিত টহলকালে পরিত্যক্ত একটি ব্যাগ দেখতে পায়। তল্লাশি করে ওই ব্যাগ থেকেও প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগের রাতে ওই এলাকায় চারজন চোরাকারবারির একটি দল ইয়াবার চালান নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিল। তাদের মধ্যে তিনজনের চালান উদ্ধার হলেও একজনের চালান তখন পাওয়া যায়নি। পরে দিনের বেলায় তল্লাশি চালিয়ে সেটি উদ্ধার করা হয়।
এদিকে একই এলাকায় নাফ নদীর কেওড়া বাগানের পাশে একটি পরিত্যক্ত নৌকা দেখতে পেয়ে বিজিবির একটি নৌ টহল দল সেখানে যায়। এ সময় পার্শ্ববর্তী চর কাব্বিক এলাকা থেকে গুলির শব্দ শোনা যায়। বিজিবির দাবি, সন্ত্রাসীদের গুলির জবাবে তারা পাল্টা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে নৌকা ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক জানান, মাদক সরবরাহকারী ও সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযা
ন অব্যাহত থাকবে।
https://slotbet.online/