সহকারী বার্তা সম্পাদক
২৯জুলাই ২৬ইং স্থানীয় সময় রাত ১০:৩০মিঃ সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাস অনুমোদিত বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের মার্কেটিং ডিরেক্টর রোটাঃ সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়ের সঞ্চালনায়_ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাথাস্থ প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ তারেক।
উপস্থিত ছিলেন সহকারী মার্কেটিং ডিরেক্টর শওকত আলী রিপন ও সহকারী অফিসার আব্দুল্লাহ ফুয়াদ।
মতবিনিময় সভায় প্রবাসীদের পাসপোর্ট জটিলতা ভোটার আইডি ও জন্মনিবন্ধন সহ সকল বিষয় আলোচনা সমালোচনায় উঠে আসে।
এ সময় প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আবু সায়েদ তারেক জানান_ ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া ও জনসাধারণের প্রবাসী সেবা কেন্দ্র নিয়ে অযৌক্তিক সমালোচনা করে আসছে।
সে সমস্ত বিষয়গুলো রিয়াদে অবস্থারত বাংলাদেশি গণমাধ্যম কর্মীদের সম্প্রচারের মধ্যমে সুস্পষ্ট করতে আজকের এই আয়োজন।
ইতিপূর্বে দেখা গিয়েছে যে_ এম,আর,পি পাসপোর্ট থেকে ই-পাসপোর্টে ও রুপান্তরে বাংলাদেশী সার্ভেয়ার ও জনবল সংকট সহ বিভিন্ন ধরনের জটিলতা থাকায় আমারা সমস্যার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।
অভিযোগ দেখা যাচ্ছে পাসপোর্ট নবায়নে জন্মনিবন্ধন ও ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অমিল, আবেদন ফিঙ্গার ও ডেলিভারির বিলম্ব হওয়ায় সেবা কেন্দ্র ও দূতাবাসকে অভিযুক্ত করে যাচ্ছে।
এক্ষেত্রে প্রবাসে সংশোধনের আবেদন সুযোগ থাকলে ও সমাধানে একমাত্র সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রিত।
এছাড়া পাসপোর্ট নবায়নে অনলাইন আবেদন,নবায়ন, ডেলিভারি ফি সহ পেশা ভিন্নতায় কম বেশি খরচের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সেবা কেন্দ্র কতৃপক্ষ।
কতৃপক্ষ জানান সরকার কর্তৃক দূতাবাসের নির্ধারিত ফি-র বেশি নেয়ার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট নবায়নে অনলাইন আবেদন ফি বাবদ ২০ রিয়াল, পাঁচ বছর মেয়াদে ১৬৫ রিয়াল, দশ বছর মেয়াদে ২১০ রিয়াল তবে পেশা ভিন্নতা ও ইমার্জেন্সি ডেলিভারির ক্ষেত্রে কম বেশি হয়ে থাকে।
এছাড়া কোন আত্মসাৎ ও অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছে এমন সুস্পষ্ট প্রমানাদি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে চাকরিচ্যুত করার কঠোর ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন কতৃপক্ষ।
আবেদনের পর ফিঙ্গারের স্থান ও সময় নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকলেও বর্তমানে মান্যবর রাষ্ট্রদূত দেলোয়ার হোসেন এর দিক নির্দেশনায় কাছাকাছি মূল সেবা কেন্দ্র গুলোতে ফিঙ্গার উম্মুক্ত করে সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন।
তবে সেক্ষেত্রে কতৃপক্ষ সেবা কেন্দ্রের হেল্প লাইনে সিডিউল নেয়ার জন্য জোর দাবি জানান, যাতে করে সেবা গ্রহীতাদের সময় বিলম্বে বিড়ম্বনা পোহাতে না হয়।
কতৃপক্ষ আরো জানান ২০১৭ সাল থেকে ২০২৬ জুলাই পর্যন্ত আমাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আপনাদের সহযোগিতায় ১৫ লাখেরও বেশি প্রবাসীদের সেবা সম্পন্ন করতে পেরেছি। আপনাদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতা থাকলে আমাদের কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে বলে আশা করছি।
বাধ্যতামূলকভাবে ব্যক্তি নিজ নিজের পাসপোর্ট ফিঙ্গার দিয়ে গ্রহণ করতে হবে।
দূতাবাস কর্তৃক অনুমোদিত সেবা কেন্দ্রের বাহিরে কোন প্রকার ভুল ত্রুটি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সেবা কেন্দ্র নিবেন না বলে সুস্পষ্ট করেন।
https://slotbet.online/