সুমাইয়া বেগম:
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিককে ঘিরে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে। একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ঘিরে এমন অভিযোগ সামনে এলে তা উপেক্ষা না করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের দাবি উঠেছে।
মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও প্রজন্মকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এর পেছনে কোনো প্রভাবশালী রাজনৈতিক আশ্রয়, পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার রয়েছে কি না—সেটিও তদন্তের আওতায় আসা জরুরি।
এম এ মালিক ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নির্বাচনী এলাকার মধ্যে দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ রয়েছে। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যেকোনো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রশ্ন হলো—মাদক কারবারের সঙ্গে কারা জড়িত? কারা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়? আর অভিযোগের পেছনে যদি কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সংশ্লিষ্টতা থাকে, তাহলে সেই পরিচয় কি তদন্তের ঊর্ধ্বে থাকবে?
এম এ মালিকের বিরুদ্ধে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সত্য হলে প্রমাণসহ তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যদিকে অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা জরুরি।
একজন সংসদ সদস্যের ক্ষেত্রে “গডফাদার” শব্দটি রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়—প্রমাণিত তদন্তের ফল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়াই উচিত। জনগণ গুজব নয়, সত্য জানতে চায়; রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, চায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।
সিলেট-৩-এর মানুষ জানতে চায়—অভিযোগের সত্যতা কোথায়? তদন্ত হবে কবে? আর মাদক কারবারের নেপথ্যে কেউ প্রভাবশালী থাকলে তাকেও কি আইনের আওতায় আনা হবে?
https://slotbet.online/