সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্পের মালামাল ব্যক্তিগত বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পের ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পটির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে জেলা মৎস্য বিভাগ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গত ২৫ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, এ অভিযোগের বিষয়ে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্প কার্যালয়ে তদন্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
অভিযোগের সূত্রপাত হয় শুক্রবার। ওই দিন একটি ট্রাকে করে সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নেওয়ার পথে স্থানীয় লোকজন ট্রাকটির গতিরোধ করেন। পরে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মালামালগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রকল্পের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় জেলা মৎস্য বিভাগ।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে মো. মাসুদ রানা দাবি করেছেন, সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার তিনি নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি করেছেন। তবে এ দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তদন্ত ও শুনানির পর মালামালগুলোর প্রকৃত মালিকানা এবং সেগুলো সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে। খুঁটি ও তারগুলো সরকারি সম্পদ, নাকি ব্যক্তিগত অর্থে তৈরি—তদন্তের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে।
https://slotbet.online/