“মনে রেখো বাংলাদেশ!
মকিস মনসুর,
———————————–
🇧🇩🇧🇩🇧🇩🇧🇩#একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে কেনো একজন ব্যক্তির মরদেহ দাফনের জন্য তাঁর স্ত্রী, কন্যা ও বোনকে রাতের আঁধারে টর্চ জ্বালিয়ে কবর খুঁড়তে হবে? #স্বাধীনতা বিরোধী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর বাধায় মধ্যরাতে মোবাইলের আলোয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর কবর খুঁড়ছেন তাঁর মেয়ে ও বোন !#প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সঙ্গে রাষ্ট্রের নিদারুণ নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হলো আজ গোটা বাংলাদেশ।#মানবতা আজ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে? একজন মৃত মানুষকে শেষ বিদায় ও দাফন করতে বাধা দেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা কেবল সামাজিক অবক্ষয়ই নয়, এটি মৌলিক মানবাধিকার ও ধর্মীয় বিধানের চরম লঙ্ঘন।
#জীবদ্দশায় রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু মৃত্যুর পর একজন মানুষের শেষকৃত্য বা দাফন নিয়ে রাজনীতি করা বা বাধা দেওয়া কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ হতে পারে না। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষেরই মৃত্যুর পর সম্মানের সাথে শেষ বিদায় পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এমন অমানবিক আচরণ অত্যন্ত লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়।
#কবরে আগুন দেওয়া, কবর থেকে লাশ তুলে ফেলা কিংবা কাউকে কবর দিতে না দেওয়া যে সমাজে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে, সেই সমাজ টিকিয়ে রাখা কঠিন। এমন অমানবিক রাষ্ট্র নিশ্চয়ই আমরা চাই না।
#মুক্তিযুদ্ধে মধ্য দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশ কোথায় যাচ্ছে? যেখানে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে পুলিশ পাহারা লাগে, যেখানে তাঁর মেয়েকে নিজ হাতে বাবার কবর খুঁড়তে হয়, সেটি কি এই প্রশ্নের উত্তর আমাদের সবাইকে খুঁজতে হবে, বিশেষ করে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক দলগুলোকে। নতুবা ইতিহাস একদিন আমাদের কাউকে ক্ষমা করবে না,,
#পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি সহ তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি এবং শোকাবহ পরিবারবর্গ এর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
সমাজে এই ধরনের উগ্রতা ও অসহিষ্ণুতা বন্ধ হোক। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থলটুকুও যদি রাজনীতির শিকার হয়, তবে সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?
#রাজাকারদের ভয়ে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর খুঁড়তে হয় রাতের অন্ধকারে চুপি চুপি, মোবাইলের আলো জ্বেলে!এ কোন অদ্ভুত দেশ!!!
#অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা অন্য কোনো কারণে কোনো মুসলমানের মৃত্যুর পর তার জানাজা পড়তে না দেওয়া বা বাধা সৃষ্টি করা স্পষ্ট জুলুম।
শরিয়ত ও মানবিক আদর্শ অনুযায়ী, কোনো মুসলিম মারা গেলে তার জানাজা, দাফন-কাফন সম্পন্ন করা জীবিত মুসলিম সমাজের উপর ফরজে কিফায়া (সমষ্টিগত বাধ্যতামূলক দায়িত্ব)। রাজনৈতিক কিংবা ব্যক্তিগত যেকোনো শত্রুতা বা মতপার্থক্য থাকুক না কেন, একজন মৃত মানুষের শেষকৃত্যে বাধা দেওয়া বা অসহযোগিতা করা ইসলামে চরম গর্হিত এবং নীতিবহির্ভূত কাজ।
দাফন ও জানাজা ফরজে কিফায়া: ইসলামে একজন মুসলিমের লাশ সম্মানজনকভাবে দাফন করা অন্য মুসলমানদের উপর আবশ্যকীয় কর্তব্য। যদি কোনো জনপদের মানুষ অবহেলা বা ক্ষোভের কারণে লাশ দাফনে সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানায় বা বাধা দেয়, তবে ওই এলাকার যারা সামর্থ্যবান তারা সবাই গুনাহগার হবে।
মরদেহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন: রাসুলুল্লাহ (সা.) মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে মানুষের মরদেহের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের শিক্ষা দিয়েছেন। একবার এক ইহুদির মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে যান। সাহাবিরা যখন বললেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ! এটি তো এক ইহুদির লা*শ।” তখন তিনি উত্তর দিলেন, “সে কি একজন মানুষ নয়?” (সহিহ বুখারি)। ইসলামের এই শিক্ষা যেখানে অমুসলিমের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, সেখানে একজন মুসলিমের ক্ষেত্রে তা আরও জোরালো।
#প্রতিশোধমূলক আচরণ বর্জন: কোনো ব্যক্তির জীবদ্দশার কোনো কর্মফল বা সিদ্ধান্তের বিচার করার অধিকার মানুষের নয়, তা একমাত্র আল্লাহ তাআলার এখতিয়ার। দাফনের জন্য খোঁড়া কবর মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলা কিংবা সামাজিক বয়কটের মাধ্যমে লাশ দাফনে বাধা সৃষ্টি করা ইসলামের উদারতা, সহনশীলতা ও মহানুভবতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
#সারসংক্ষেপে, রাজনৈতিক বৈরিতা বা আদর্শিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে একজন মৃত মানুষের লা*শ নিয়ে অমানবিক আচরণ করাকে ইসলাম কখনোই সমর্থন করে না।
#ইসলামে আছে, আপনার শত্রু যদি মারা যায় তাহার যানাজার নামাজে শরীক হয়ে থাকে ক্ষমা করে দেয়া,
অথচ র্দুভাগ্য আমাদের দেশে, ক্ষমা করা দূরের কথা কবর দিতে চায়না,একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব ছিলো তার জানাজা এবং দাফন কাফনে অংশগ্রহণ করা আমরা সেই কাজটি না করে তার দাফন কাফনে বাধা হয়ে দাঁড়ালাম। এটা কোন ধরনের ইসলামিক রাজনীতির নমুনা,
সারসংক্ষেপে, রাজনৈতিক বৈরিতা বা আদর্শিক সংঘাতকে কেন্দ্র করে একজন মৃত মানুষের লা*শ নিয়ে অমানবিক আচরণ করাকে ইসলাম কখনোই সমর্থন করে না।
#বাংলাদেশ.আজ এমন একটি ছবি দেখে জীবিত সকল মুক্তিযুদ্ধা ও তাদের সন্তানদের হৃদয়ের যে রক্তকরণ তা কি আমরা অনুধাবন করতে পারছি,,
৭১’র চেতনা কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে আজ,যাঁদের স্বপ্ন, সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ, তাঁদের অবদান কখনো ভোলার নয়। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবন ও সম্মান আমাদের ইতিহাসেরই অংশ।
#হায়রে বীর মুক্তিযোদ্ধারা আপনাদের কি দরকার ছিলো জীবনের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করা। এটা ভারাক্রান্ত মন থেকে দূ:খ করে বললাম।🇧🇩 মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান নিশ্চিত করা হোক 🇧🇩 একজন মুক্তিযোদ্ধা শুধু একজন মানুষ নন, তিনি আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসের গর্বিত অংশ। তাঁদের আত্মত্যাগ ও অবদানেই আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ, পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা।
একজন মুক্তিযোদ্ধা মৃত্যুবরণ করলে তাঁর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় সম্মান অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। তাঁরা জীবিত থাকুন কিংবা মৃত্যুবরণ করুন, তাঁদের অবদান কখনো ভুলে যাওয়া যাবে না। একজন মুক্তিযোদ্ধার শেষ বিদায় যেন অসম্মানের না হয়, যেন তাঁর পরিবারকে সম্মান নিয়ে প্রিয়জনকে দাফন করতে পারে—এটা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
#যাঁরা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছেন, তাঁদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে, তাঁদের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান মানে বাংলাদেশের সম্মান। তাঁদের অবহেলা নয়, প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত হোক।
🇧🇩 মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান নিশ্চিত করতে হবে—এটাই আমাদের দাবি।
#পিরোজপুরে স্বজনদের কবর খুঁড়ে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনের ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে,
#বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান রক্ষার পাশাপাশি দেশের সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দায় বর্তমান সরকারের। এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা ও গাফিলতি খতিয়ে দেখতে হবে। সরকার এই দায় এড়াতে পারে না। অবিলম্বে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা, মানিক পশারীর কবর ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং সব মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সাক্ষীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
#বীরমুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা স্বাধীন বাংলাদেশের লজ্জা! গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দেশে বিদেশে বসবাসকারী বিবেকবান মানুষদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাচ্ছি।
#এটি মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা ও মানবিক মূল্যবোধের চরম অবমাননা।’এটি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতিরও চরম পরিপন্থি।
#রাষ্ট্রের প্রতি প্রশ্ন- মানিক পশারীকে প্রকাশ্যে ও নির্বিঘ্নে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা গেলোনা কেন ? তাঁর পরিবারকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনিশ্চয়তায় থাকতে হলো কেনো ? তাঁর স্ত্রী, কন্যা ও বোন রাতের অন্ধকারে কবর খুঁড়তে হলো কেনো ? স্থানীয় মানুষ একজন মৃতব্যক্তির দাফনে অংশগ্রহণ ভয় পেলো কেনো ?
#বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা । যারা দেশ স্বাধীন করেছেন, তাদের শেষবিদায়ের মর্যাদাও যদি রক্ষা করতে না পারি, সেই ব্যর্থতা গোটা জাতির।’
#মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অম্লান থাকুক, ইতিহাসের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকুক। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী,জাতির গর্ব, স্বাধীনতার ইতিহাস।শ্রদ্ধা জানাই সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি। আমাদের হোক দীপ্ত শপথ একাত্তরের হাতিয়ার গর্জে উঠুক বার বার। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
#প্রানের বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। মানবতার জয় হোক।
———————————–
মোহাম্মদ মকিস মনসুর,
লেখক ও সাংবাদিক,
সভাপতি, ইউকে ওয়েলস আওয়ামী লীগ,
চেয়ারম্যান, ইউকে বিডি টিভি,
———————————–
https://slotbet.online/