• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মনে রেখো বাংলাদেশ! সিলেটের চৌকিদেখিতে কবি আবুল বশর আনসারীর স্মৃতিফলক পরিদর্শনে চিত্রনায়ক হেলাল খান টেকনাফ নয়াপাড়া ক্যাম্পে ইট-বালু-সিমেন্ট বিক্রি, রোহিঙ্গার কারাদণ্ড তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দ ২ এক্সকাভেটর ও ডাম্প ট্রাক রাজস্ব ফাঁকির সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলা, জামিন পেলেন দুই সম্পাদক টেকনাফে রাস্তা দখল করে দোকান, রোহিঙ্গা যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড টেকনাফে সিএনজির ভিতরে ২০ হাজার ইয়াবা, চালক আটক উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচারকারী কবিরসহ গ্রেপ্তার ১৩ রায়গঞ্জে মৎস্য প্রকল্পের খুঁটি-তার সরানোর অভিযোগ, তদন্তে জেলা মৎস্য বিভাগ শীতের আমেজ ছড়াতেই খেজুরের রসের আশায় গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত তাড়াশের গাছিরা সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেলেন ২৩২ জন ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে বসতঘর দখল ও লুটপাট: সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হেনস্থা ও অবরুদ্ধ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে অটোচালক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশের গরু চুরি মামলা: রামেশ্বরগাতী থেকে গ্রেপ্তার ৩৮ বছর বয়সী ইব্রাহিম তাড়াশে কবরস্থানের বিদ্যুতের তার চুরি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাউজান গর্জনিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে( সুবর্ণ জয়ন্তীসফলকল্পে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত পূর্ব আকাশ কুড়ি যুব সংঘ বনাম নব উন্নয়ন যুব ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এক বিশাল হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর ছাতকের জাউয়াবাজারে জাহাঙ্গীরকে ঘিরে নানা অভিযোগ উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক চট্টগ্রামের প্রধান সড়কে পিঁপড়ার সারির মতো অটোরিকশা, রাউজান–ফটিকছড়ি–হাটহাজারীতে দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ টেকনাফে চাকমারকুল ক্যাম্পে চুরি মামলায় তিন রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, ব্যাটারি উদ্ধার টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ চলনবিল মহিষলুটিতে শুঁটকির বাজারে চড়া দাম, লোকসানে  ব্যবসায়ীরা টেকনাফে যৌথ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৩ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক টেকনাফ নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে অভিযান: মামলার পলাতক রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন-উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্তি  তাড়াশ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন শুভেচ্ছান্তে মোছাঃ ইতি সরকার স্বামী: মরহুম মিজানুর রহমান বারী সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কাগইল ইউনিয়ন পরিষদ, গাবতলী, বগুড়া। টেকনাফে ৩২ হারানো মোবাইল উদ্ধার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে এসএসসি ’৯১ বন্ধুদের মহামিলন মেলা সফল করতে অ্যাডমিন প্যানেলের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা টেকনাফে ১০০ জেলেকে বিজিবির খাদ্য সহায়তা সাংবাদিক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে তাহিরপুরে মানববন্ধন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি। কক্সবাজারে এসআরবি-১৫’র অভিযানে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৭৬ ভিনি রিয়ালে খেলে যথেষ্ট সম্মান পাচ্ছে না: মরিনিও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে উখিয়ার দারোগা বাজারের প্রধান পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী টাঙ্গাইলে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিহত তুলি এমপির ঘনিষ্ঠ শ্যুটার লেলিন গ্রেপ্তার দুর্গাপূজায় উপকূলে নিরাপত্তা জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড উখিয়ায় অপহরণ মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনা অনুমতিতে অবস্থান, যুবকের এক মাসের কারাদণ্ড ১৯ মামলার তাড়াশের কুখ্যাত গরু চোর লিটন শেখ আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার বাঁশখালীতে ৩৯ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১: নেপথ্যে জড়িত অন্য সহযোগীকে মামলা টেকনাফে অস্ত্রসহ ‘করিম ডাকাত’ আটক, অপরাধীদের বিরুদ্ধে চিরুনি অভিযান টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের বিশেষ যৌথ অভিযান, আটক ১৭ শেখ রাসেল দিবস: আলোকময় শৈশব ও কালজয়ী মানবিক চেতনা** ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার মামলার মূল হোতা সলিম উল্লাহ গ্রেপ্তার উখিয়ার হুমায়ুন হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মরিচ্যায় গ্রেপ্তার উখিয়ায় এক লাখ ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক তাড়াশে বেশি দামে সার বিক্রি, ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে বকশীগঞ্জে প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল। টেকনাফে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক টেকনাফে নিখোঁজ ১২ বছরের রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার টেকনাফে জননিরাপত্তায় নতুন সেনা ক্যাম্প রঙ্গিখালী-বড় ডেইল এলাকায় প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন রাজশাহীতে জমি ও দোকানঘর দখলচেষ্টার অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন তাড়াশে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে  প্রতিটি মণ্ডপে কঠোর নিরাপত্তায় পুলিশ চাকমারকুলে নিখোঁজ রোহিঙ্গা কিশোর ও চট্টগ্রামের কিশোরী উদ্ধার কক্সবাজারে রিমন হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার: ৪৯ মণ্ডপে ৩০৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন সিরাজগঞ্জ তাড়াশে বাড়ির টয়লেটের পেছন থেকে দুইটি গা-ঁজার গাছ উদ্ধার উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছন সেভেন রিংস সিমেন্টের উপদেষ্টা – এরশাদ আলী আজাদ। তাড়াশে ৭০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের ২৩ সদস্যের কার্যকরী পরিষদ ঘোষণা শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে মাঠে জামালপুর ৩৫ বিজিবির ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, মন্ডপ পরিদর্শন! সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৭০ বস্তা সার জব্দ, ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় টেকনাফে বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি উখিয়ায় ৭০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস: সভ্যতার মূল কারিগরদের অবদানের স্বীকৃতি ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শুরু নরমাল ডেলিভারিসেবা স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপদ প্রসবসেবার সুযোগ, কমবে প্রসূতিদের ভোগান্তি; বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মার্কিন জাল ডলারসহ দুই যুবক আটক। বকশীগঞ্জে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। প্রবাসীদের রক্তঘামে গড়ে ওঠা সমৃদ্ধি: স্বীকৃতি ও সুরক্ষার অধিকার লন্ডনে প্রবাসীদের মিলনমেলা: বিমান ভাড়া হ্রাস ও যাত্রী হয়রানি বন্ধের দাবি গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত নিয়ে আলোচনা, সিদ্ধান্ত আসতে পারে কয়েক দিনের মধ্যে টেকনাফে দুই ওয়ারেন্টে আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে সংবাদ প্রকাশের পর চিকিৎসার ব্যবস্থা হচ্ছে তানজিলের বিশ্বম্ভরপুরে ওয়ার্ড সভা ও অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলন বন্ধে সচেতনতামূলক সভানয় ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ নানা দাবি, পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা ও ৫৮৮ নারীর মাঝে চাল বিতরণ মীরজাফর, মোশতাকের পর ড. ইউনূস: ঘৃণাভরে উচ্চারিত নামের তালিকায় নতুন সংযোজন সন্তানদের প্রতি খেয়াল রাখুন: একটি সুন্দর ভবিষ্যতের পূর্বশর্ত মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত: অসুস্থ তানজিমের পাশে জিকেএস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর শিক্ষার আলো ছড়াতে নানিয়ারচর জোনের মানবিক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ টেকনাফের তিন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক অভিযান, সাজা পেলেন ৪ জন উখিয়ায় ২ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, পিস্তল-গুলি ও ডুবন্ত নৌকা জব্দ; আটক ৩ কক্সবাজারে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আশ্বাস প্রশাসনের মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে বেহেলীতে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন সাদরুল আমীন। বিশ্বম্ভরপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নির্বাচিত দুই ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ড ফতেপুর ও সলুকাবাদ ইউনিয়নে কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্ব পাচ্ছে সঠিক তথ্য ও স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫৭ বছর: মুক্তিযুদ্ধের গৌরব, শ্রমিকের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম তাড়াশে তানজিলের পাশে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা টেকনাফে ইভটিজিংয়ের দায়ে রোহিঙ্গা যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড আমাদের নিখোঁজ শিশুরা: সংখ্যার বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি – নিকোলাস বিশ্বাস কক্সবাজারে ৩ লাখ ইয়াবাসহ সিএনজি জব্দ টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

সত্য কথনে পিছপা কেন? মো. আসাদুজ্জামান

আমীর হোসেন স্টাফ রিপোর্টার / ২২৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: শনিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

আমি রাজনীতির মাঠের একজন সাধারণ কর্মী। দেশবাসী গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে জানেন মন্ত্রী, এমপি ও নেতাকর্মী মিলিয়ে ৫ আগষ্টের পরে প্রায় ৬২৬ জনকে ক্যান্টনমেন্টে আটক করা হয়েছিলো। ওবায়দুল কাদের সাহেবকে যশোর ক্যান্টনমেন্টে আটক করা হয়েছে এটা প্রচারিত হয়েছে গণমাধ্যমে ও টিভিতে। সুতরাং এসব নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই।
এখন আবার কিছু ভিডিওতে যুবদল, ছাত্রদল, অমুকদলের নেতা ওপারে যেতে সহযোগিতা করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এসব হলো মানুষের মতিগতি বা মনোযোগকে ডাইভার্ট করার অপকৌশল মাত্র। মূল বিষয় হলো, ক্যান্টনমেন্ট থেকে ছাড়া হলো কোন আইনে বা কার নির্দেশে? এ বিষয়ে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য সব দল নিরব কেন? এর মানে “ভাসুরের নাম কেউ মুখে নিতে চায় না”।
দেখুন এই বিষয়ে আজ পর্যন্ত কোন উকিল ব্যারিস্টার হাইকোর্টে রিট বা প্রশ্ন তুললো না?
অথচ “টক শো” বা রাজনৈতিক মিটিং এ অনেক ঝড় তুলছে। খোদ অনেক সাবেক সামরিক আমলারাও।
আন্দোলনরত ছাত্র নেতৃত্ব ও উপদেষ্টাগণের উদ্দেশ্যে কিছু কথা
আন্দোলনরত ছাত্র নেতৃত্ব ও উপদেষ্টাগণের উদ্দেশ্যে কিছু কথা
বিস্তারিত পড়ুন
আবার গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতৃবৃন্দ অথবা জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো প্রশ্ন তুলছে না। বিষয়টি কি এতই স্পর্শকাতর? সত্য কথা বলার সৎ সাহস না থাকলে রাজনীতি করার কি দরকার?
অন্যদিকে জামায়াতের আমির তো ঘোষণা দিয়ে বসলেন, “জামায়াত আর সেনাবাহিনী ছাড়া আর কেউ দেশপ্রেমিক নয়। আবার ৫ই আগষ্টের পরে আমির সাহেব বললেন আমরা প্রতিহিংসা পরায়ন হবো না। সব মাফ করে দেয়া হলো। এই বিচারের ভার উনাকে কে দিয়েছে?
খোদ কালের কণ্ঠের অফিসে আমির সাহেব দলবল সহ স্বয়ং উপস্থিত হয়ে নিন্দা জ্ঞাপন করলেন এর কারন জনগণ নিশ্চয় বোঝে। অথচ এই পত্রিকার মালিক পক্ষ স্বৈরাচারী হাসিনাকে প্রকাশ্য মিটিং এ বলেছিলেন “পরপারেও আমরা আপনার সাথে থাকতে চাই “। এই জামায়াত ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মালেক মন্ত্রীসভায় ছিলেন। গোটা দেশ যখন পাকিস্তানি শত্রুর বিরুদ্ধে, ঠিক সে সময় জামায়াতিরা তাদের পক্ষ নিয়ে রাজাকার, আলবদর, আলশামস ইত্যাদি বাহিনী গঠন করে পাক হানাদার বাহিনীর দোসর হয়ে এদেশের মানুষকে হত্যা করে মালামাল লুণ্ঠন করে এবং মা বোনের ইজ্জত তুলে দেয় পাক বাহিনীর হাতে।
১৪ ডিসেম্বর ৭১ বুদ্ধিজীবীদের নামের তালিকা সরবরাহ করে পাক বাহিনীকে এবং অনেককে ধরিয়ে দেয় হত্যার জন্য। এরা আবার দাবী করে এরা নাকি দেশপ্রেমিক। মানুষ এইসব রাষ্ট্রদ্রোহীদের ভুলে নাই। ভুলবেনা। ইতিহাস চিরকাল সাক্ষী দেবে। এ কারণেই এরা পাকিস্তানে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি আজও। আইয়ুব খাঁনও এদের রাজনীতি বন্ধ করেছিল। কুরআনে কোথাও জামায়াতে ইসলাম বলে শব্দ নেই।
৫ই আগষ্টে ও তারপরে দল বেঁধে রাজনৈতিক দলগুলো, বিপ্লবী ছাত্রনেতৃবৃন্দ, জনাব আসিফ নজরুল জুনায়েদ সাকীসহ অনেকেই জেনারেল ওয়াকার সাহেবের ওখানে গেলেন মিটিং করলেন। সকলেই সেনাবাহিনীর প্রসংসায় একেবারে গদগদ। সরকার গঠন সংক্রান্ত আলোচনা করলেন। ৮ ই আগষ্ট সরকার গঠন করলেন। বেশ ভালো কথা। কেউ কেউ খুশি হলেন আবার কেউ কেউ নিরাশ হলেন সরকারে জায়গা না পেয়ে।
নতুন বছরে জনগণের প্রত্যাশা
নতুন বছরে জনগণের প্রত্যাশা
বিস্তারিত পড়ুন
পরবর্তীতে আবার কেউ কেউ বলছেন বিপ্লবী সরকার গঠন বা ঘোষণা না করা ভুল হয়েছে। যারা বলছেন তাদের পরিবারের কেউ আবার সরকারেও আছেন। অথচ মাঠে ময়দানে আবার সমালোচনা করছেন। এটা কি দ্বিচারিতা বা ডাবলস্টান্ডার্ড নয়?
অল্পবয়স্ক বা অপরিপক্ক অনভিজ্ঞ ছাত্রদেরকে বুদ্ধিশুদ্ধি দিয়ে যারা তাদরকে বিপথগামী করছেন তাদের বিচার করবে কে? নিশ্চয়ই ইতিহাস একদিন তাদের বিচার করবে।
তিনদিন তো দেশে কোন সরকার ছিলো না। আরেকটু অপেক্ষা করে বিপ্লবী সরকার গঠন করলে কি স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব হারিয়ে যেতো? নিশ্চয়ই না।
কার ইশারায় কেন তাড়াহুড়ো করে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হলো জনগণের কাছে তা পরিষ্কার নয়।এতো অপরিপক্ক অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ উপদেষ্টা পরিষদ কেন কার প্রস্তাবে বা কাদের প্রস্তাবে গঠিত হলো জনগণ তা জানতে চায়?
মাত্র কয়েকদিন আগে দৈনিক নিউ এইজ এর সম্পাদক জনাব নূরুল কবির সাহেব সাক্ষাৎকার নিলেন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা মহোদয়ের।
এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় বললেন, “আমি রাজনৈতিক অঙ্গনের লোক না। রাজনৈতিক বিষয়ে পূর্বের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না, আইন শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না, মানুষের পারসেপশন আপনাদের সম্পর্কে এরকম”। তার উত্তরে তিনি বললেন, আমরা চেষ্টা করছি নিয়ন্ত্রণের।
জনগণ জানে আপনাদের আন্তরিকতার অভাব নেই। কিন্তু ওই কথায় তো চিড়ে ভিজবে না। ৫ মাস চলে গেছে কিন্তু আইন শৃঙ্খলা ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসছে না কেন? এর সুনির্দিষ্ট জবাব জনগণ জানতে চায়।
আপনার নোবল প্রাইজ বা থ্রিজিরো থিউরি দিয়ে তো মানুষের পেট ভরবে না? কথাগুলো কষ্টদায়ক কিন্তু মানুষের কষ্ট এর চেয়ে বেশি।
সবচেয়ে ভালো হয় আপনি ক্ষুদে মাঝারি রিটেইলার, সাপ্লাইয়ার, ইম্পোর্টারদের ডাকুন ও তাদের সাথে পরামর্শ করুন। রাস্তঘাটের চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি, কর্মকর্তা ও সেনাসদস্য নিয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন করুন। ম্যাস-মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার প্রচারণা ও উদ্বুদ্ধকরন কর্মসূচি নিন।পদত্যাগ করা বা ছেড়ে চলে যাওয়া কোনো সমাধান নয়। কাপুরুষতা মাত্র।
কর্মকর্তাদের ভয়ভীতির কথা না বলে উদ্বুদ্ধ করুন। সাহসের সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলার শক্তি যোগান দিন। কোনো দলমতের দিকে ঝুঁকে না পড়ে নিরপেক্ষভাবে ক্ষমতা প্রয়োগের সাহস দিন। যারা দখলদারি চাঁদাবাজি করছে তাদের ব্যাপারে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিন।
তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইন প্রয়োগে কিছুটা পিছুটান থাকবে, কেননা তারা এসবের পূর্বে সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে ভাবে। তারা মনে করে এইদিন দিন নয় আরো দিন আছে। আর লুটেরা পক্ষ পার্শ্বে থেকে বলে দেখে নিবো তোমাকে। চাকুরীজীবিরা অধিকাংশই সাধারণ কৃষক শ্রমিক পরিবারের ছেলে তাদের ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে? রাষ্ট্রের সব অঙ্গগুলোতো ভেঙ্গে পড়েছে, পঁচে গেছে। সুতরাং এগুলোকে ঠিক করতে হলে যথেষ্ট সময় দরকার। নিদেনপক্ষে পাঁচ বছর। কিন্তু সে সুযোগ কি যারা ক্ষমতায় যেতে চায় তারা দেবে? নিশ্চয় না। কারন তারা ইতোমধ্যে দ্রুত নির্বাচন চায় এবং নির্বাচনের জন্য দরকার হলে আরেকবার সংগ্রাম করতে হবে বলে কর্মীদের তৈরী হতে বলছেন।
এদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও ছাত্রনেতারা চব্বিশের আগষ্ট ঘোষণা চেয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছে সরকারকে। অথচ তাদেরই সমর্থিত সরকার যেখানে তাদের প্রতিনিধি আছে। কতবড় বৈপরীত্য তা আপনারা বুজতেই পারছেন।
ছাত্ররা দল গঠনের ঘোষণা যদি না দিতো তাহলে পরিস্থিতি হয়ত বা তাদের অনুকুলে থাকতো। তারা সরাসরি ক্ষমতায় যেতে চায় এবং রাষ্ট্র-সংস্কার বাস্তবায়ন করতে চায়।
তাদের যুক্তি দলীয় সরকার ক্ষমতায় গেলে সংস্কার সম্ভব নয়।কারণ অতীত অভিজ্ঞতা তাই বলে বরং রাষ্ট্র ব্যাবস্থায় বা সংবিধানে জনগণের যেটুকু অধিকার ছিল তাও কার্টেল করতে চায়। অন্ততঃ বাংলাদেশের ইতিহাস তো তাই বলে। শংকা বা ভয়টা এই জায়গায়।
আরো ভয়ংকর বিষয় হলো ছাত্ররা অধিকার আদায়ের আন্দোলন কি করতেই থাকবে? তাহলে তাদের লেখাপড়া, ক্যারিয়ার প্ল্যান, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ইত্যাদির কি হবে?
এমনিতেই কোয়ালিটি শিক্ষা তো উধাও প্রায়। একটা পুরো জেনারেশন নষ্ট প্রায় (এটা আমার ব্যাক্তিগত মতামত)। ছাত্রদেরকে আমরা কোয়ালিটি শিক্ষা, সুশিক্ষা দিয়ে গড়ে না তুলতে পারলে বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে না, বিশ্ব জব মার্কেটে কম্পিটিশন করতে পারবে না। অন্যদিকে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে আমরা দেখবো তারা জাতিসংঘের বিভিন্ন অরগানে, আই,এম,এফ বা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে লিড দিচ্ছে। তাছাড়া মাইক্রোসফট ,আমাজন, টেসলা, ফেইসবুক সহ অসংখ্য ওয়ার্ল্ড ফেমাস কোম্পানির সিও হিসেবে কাজ করছে।
সুতরাং শুধু শুধু ভারত বিরোধী কথা বলে সাময়িক সস্তা পপুলারিটি অর্জন করা সম্ভব হলেও আমরা তাদেরকে ডিঙ্গাতে পারবো না। তাছাড়া পৃথিবীর বড়বড় অর্গানাইজেশনে বা কোম্পানিতে তারা মিড লেভেল বা লোওয়ার মিড লেভেল ম্যানেজারিয়াল পজিশনগুলো অর্জন করেছে। সুতরাং আমাদেরকে ভারতের আধিপত্যকে খর্ব করতে হলে শিক্ষায় ব্যাপক বিনিয়োগ করতে হবে। আর ছাত্রদের অতিশীঘ্র পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে হবে। অন্যথায় আমরা আরো তিমিরে ডুবে যাবো।
পরিশেষে একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে মতামত রেখে শেষ করছি।
সেনা কর্মকর্তা বা লিডারগণ দূরে বসে সব দেখছেন। ইতোমধ্যে অল্প সময়ের জন্য তারা মেজিস্ট্রেসি পাওয়ার পেয়েছেন কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তাও দখলদারী চাঁদাবাজি কমছে না।
তাহলে প্রশ্ন আসে, তারা কি ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করছেন না? অতীতে সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলো কিন্তু এ রূপ প্রশ্ন উঠেনি। তাহলে আজ এ প্রশ্ন আসছে কেন? স্বভাবতই জনগণ মনে করে নিশ্চয়ই কোথাও কোনো গ্যাপ আছে?
সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। অতীত সরকারগুলো বিশেষ করে হাসিনা সরকার তাদেরকেও নৈতিকভাবে দূ্র্বল করেছে। তাদের গৌরবের অতীত কিছুটা ম্লান হয়েছে, বিতর্কিত হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহকে সচেতন জনগণ ও সেনাবাহিনীর বৃহত্তর অংশ ষড়যন্ত্র মনে করে। অতীতের তদন্ত রিপোর্ট গুলো মানুষ বিশ্বাস করে না বরং মনে করে আই-ওয়াশ।
তবে এবারে যে তদন্ত কমিশন গঠিত হয়েছে তার প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আছে বিশেষ করে কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান সাহেবের প্রতি। কেননা তিনি সাহসী, সৎ, অভিজ্ঞ এবং ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
জনগণ ও স্বজনহারা সেনা পরিবারগণ এবার হয়তবা সঠিক মূল্যায়ন ও রিপোর্ট পাবেন।
লেখক: মোঃ আসাদুজ্জামান আহবায়ক-কাঙ্খিত বাংলাদেশ ও সাবেক কর কমিশনার।

(আমার এই লেখাটি ২৪-এর অভ্যুত্থানে ও বিডিআর হত্যাকাণ্ডে নিহতদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলাম)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
https://slotbet.online/