• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
বাণীগ্রাম সাধনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ‘৯৩ ব্যাচের পুনর্মিলনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত উখিয়ায় পাহাড়ের পাদদেশে এসআরবি-১৫-এর অভিযান, বুলেটপ্রুফ ভেস্ট ও চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার টেকনাফে এসআরবি-১৫-এর অভিযানে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে সিএনজির গোপন চেম্বারে ১৩ হাজার ইয়াবা, আটক চালক উখিয়ায় মাটির নিচে পুঁতে রাখা ওয়ান শুটারগান ও গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ টেকনাফ পৌরসভাকে স্মার্ট পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হলেন এস এম আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) টেকনাফে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ভূরুঙ্গামারীতে ব্র্যাকের যৌথ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প, বিনা মূল্যে মিলেছে নানা সেবা চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আজাদ বাজার এজিএম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এলাকা বাসির নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস তাড়াশে কর্মসূচি সফল করতে প্রস্তুতি সভা টেকনাফে এপিবিএনের অভিযানে রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার, সোলার ল্যাম্পের খুঁটি কাটায় একজনের কারাদণ্ড গাজীপুরের পল্টি হাবীবের শত্রু হলেই আপনাকে খেতে হবে জুলাই আন্দোলনের মামলা ‎ যুক্তরাজ্যের মাটিতে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ গুণীজন ও প্রবীণকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান তাহিরপুরে কয়লা আমদানিকারক গ্রুপ নির্বাচনে শেখ আলী মোস্তাফা প্রার্থিতা ঘোষণা। টেকনাফে মাদকসেবনের দায়ে রোহিঙ্গা যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড সেন্টমার্টিনে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম কোস্ট গার্ডের টেকনাফের হ্নীলার পশ্চিম পানখালীতে ইয়াবার বিরোধে পাহাড়ে চারজনকে নির্যাতন, নিহত ২ সিরাজগঞ্জ ও পাবনা আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার তাড়াশে বিদ্যালয়ের ভবন থেকে পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র গুরুতর আহত সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শনে সমাজসেবা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব টেকনাফে চুরির মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তাড়াশে প্রশিক্ষণ শেষে তথ্য সংগ্রহকারীদের ট্যাব বিতর তাড়াশে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে লটারিতে ১০ কর্মী নির্বাচন টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিবাদ ও নিন্দা অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সমাবেশে বক্তারা ব্রিটিশ-বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পের সম্মাননায় লন্ডনে ১৯তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত বালিয়াডাঙ্গী সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে তিন সাংবাদিক, জুলফিকার-ইলিয়াস-হাসান মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে প্রগতি স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন, প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক অভিযানে সিমেন্ট ও ইয়াবা জব্দ, আটক ১২ টেকনাফে ১ লাখ ৩০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ সুনামগঞ্জে বাবা-মা-ভাইবোনসহ এক ছাত্রলীগ নেতার পুরো পরিবার গ্রেফতার সঙ্গে ৩ বন্ধুও। টেকনাফের উন্নয়ন ও জনস্বার্থে প্রশাসনের সঙ্গে প্রেসক্লাবের সংলাপ টেকনাফে একাধিক মানবপাচার মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক অপরাধ দমনে সুধী সমাবেশ সিরাজগঞ্জ তাড়াশ প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের জানালা খুলে কম্পিউটার চুরি টেকনাফে চুরি মামলার আসামি গ্রেপ্তার, থানায় হস্তান্তর তাড়াশে কারিগরি শিক্ষায় সাফল্যের শীর্ষে জি আই টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পাসের হার ৮২.২৪ শতাংশ রূপগঞ্জে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বালু ভরাটের নামে চাঁদা দাবির অভিযোগ চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী পলাশ কুন্ডকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক, মূল্য দেড় কোটি টাকা সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর সঙ্গে রামু ক্যান্টনমেন্ট স্কুল-কলেজের কর্মকর্তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ উখিয়া থানা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মেধাবী প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জে কিশোরকণ্ঠের বৃত্তি পরীক্ষা, বিশ্বম্ভরপুরে অংশ নিল ৬২৫ শিক্ষার্থী মিয়ানমার পাচারের চেষ্টা, কর্ণফুলী চ্যানেলে ৪০ টন সিমেন্টসহ আটক ৮ রামুতে এসআরবির যৌথ অভিযান চট্টগ্রামের শিশু অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার মানবিকতা ও সাহসিকতায় মানুষের পাশে আনসার-ভিডিপি দলনেতা আবু বকর সিদ্দিক টেকনাফের চার পুলিশ স্থাপনা আকস্মিক পরিদর্শনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি উখিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কমিটির অভিষেক, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা রামুতে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার টেকনাফে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক -১ তাড়াশে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে মাঠকর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ তাড়াশে নানা আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন, শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ টেকনাফ সীমান্তে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়েছে দুই পাচারকারী টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুব সমাবেশ ও র‍্যালি সুনামগঞ্জ-বিশ্বম্ভরপুর সড়কে ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার সড়ক উন্নয়নকাজে প্রশ্ন, গার্ডওয়ালে ফাটল বাংলা নিউজ মিডিয়ার কর্ণধার সোহেল সরকারের বড় ছেলে সালমান সরকারের ৪র্থ জন্মবার্ষিকী উদযাপিত সীমান্তে নজরদারির মধ্যেও ভারতীয় বিড়ি আসছে কীভাবে, প্রশ্ন স্থানীয়দের টেকনাফে চেকপোস্টে নোহা থামিয়ে অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেপ্তার নির্বাচনি প্রচারণায় চেয়ারম্যানকে ফাঁসানোর চেষ্টা, অভিযোগের পক্ষে মেলেনি প্রমাণ প্রকাশিত মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন খন্দকার মঞ্জুর আহমেদ। তাড়াশে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয় উখিয়ায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে বাসে ১৮ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩ নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে কক্সবাজারে হোটেল-মোটেল মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় মনে রেখো বাংলাদেশ! সিলেটের চৌকিদেখিতে কবি আবুল বশর আনসারীর স্মৃতিফলক পরিদর্শনে চিত্রনায়ক হেলাল খান টেকনাফ নয়াপাড়া ক্যাম্পে ইট-বালু-সিমেন্ট বিক্রি, রোহিঙ্গার কারাদণ্ড তাড়াশে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দ ২ এক্সকাভেটর ও ডাম্প ট্রাক রাজস্ব ফাঁকির সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলা, জামিন পেলেন দুই সম্পাদক টেকনাফে রাস্তা দখল করে দোকান, রোহিঙ্গা যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড টেকনাফে সিএনজির ভিতরে ২০ হাজার ইয়াবা, চালক আটক উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির দুই অভিযানে ১ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফে যৌথ অভিযানে মানবপাচারকারী কবিরসহ গ্রেপ্তার ১৩ রায়গঞ্জে মৎস্য প্রকল্পের খুঁটি-তার সরানোর অভিযোগ, তদন্তে জেলা মৎস্য বিভাগ শীতের আমেজ ছড়াতেই খেজুরের রসের আশায় গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত তাড়াশের গাছিরা সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেলেন ২৩২ জন ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কের ডাকাতি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে রাতের আঁধারে বসতঘর দখল ও লুটপাট: সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিককে হেনস্থা ও অবরুদ্ধ করার অভিযোগ রায়গঞ্জে অটোচালক হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশের গরু চুরি মামলা: রামেশ্বরগাতী থেকে গ্রেপ্তার ৩৮ বছর বয়সী ইব্রাহিম তাড়াশে কবরস্থানের বিদ্যুতের তার চুরি, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাউজান গর্জনিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে( সুবর্ণ জয়ন্তীসফলকল্পে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত পূর্ব আকাশ কুড়ি যুব সংঘ বনাম নব উন্নয়ন যুব ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত এক বিশাল হাডুডু খেলা অনুষ্ঠিত। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর ছাতকের জাউয়াবাজারে জাহাঙ্গীরকে ঘিরে নানা অভিযোগ উখিয়ায় পৃথক অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক চট্টগ্রামের প্রধান সড়কে পিঁপড়ার সারির মতো অটোরিকশা, রাউজান–ফটিকছড়ি–হাটহাজারীতে দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ টেকনাফে চাকমারকুল ক্যাম্পে চুরি মামলায় তিন রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার, ব্যাটারি উদ্ধার টেকনাফের শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযান, ৫০ হাজার ইয়াবা জব্দ চলনবিল মহিষলুটিতে শুঁটকির বাজারে চড়া দাম, লোকসানে  ব্যবসায়ীরা টেকনাফে যৌথ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৩ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক টেকনাফ নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড ক্যাম্পে অভিযান: মামলার পলাতক রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার তাড়াশে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন-উৎসবমুখর পরিবেশে সমাপ্তি  তাড়াশ পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন

জুলাই বিপ্লবের ভাঙা আয়না: বিভেদের দায় কার?- মোঃ সেলিম উদ্দীন ।

দৈনিক প্রতিবাদ / ১৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬

দুই বছরও পূর্ণ হলো না জুলাই বিপ্লবের। অথচ যে স্বপ্ন একদিন মানুষের চোখে নতুন ভোরের আলো জ্বেলেছিল, আজ সেই স্বপ্নের আকাশে জমেছে বিভেদের কালো মেঘ। যে কণ্ঠ একদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একসঙ্গে উচ্চারিত হয়েছিল, আজ সেই কণ্ঠের ভেতর শোনা যায় অভিযোগের প্রতিধ্বনি। যে হাত একদিন পরস্পরের হাত ধরে পরিবর্তনের পথে এগিয়েছিল, আজ সেই হাতের মাঝখানে সন্দেহ, প্রতিযোগিতা ও ক্ষমতার দূরত্ব।

জুলাই ছিল শুধু একটি আন্দোলনের নাম নয়; জুলাই ছিল মানুষের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ, অবহেলিত মানুষের আকাঙ্ক্ষার ভাষা, তরুণ প্রজন্মের সাহসী উচ্চারণ। সেখানে ছিল একটি স্বপ্ন—রাষ্ট্র হবে মানুষের, ক্ষমতা হবে জবাবদিহির, আইন হবে সবার জন্য সমান এবং ভবিষ্যৎ হবে বৈষম্য ও ভয়মুক্ত।

কিন্তু বিপ্লবের পথ যতটা উজ্জ্বল, তার পরের পথ ততটাই কঠিন। কারণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সহজ হতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করা কঠিন। পুরোনো শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব, কিন্তু সেই ঐক্যকে ব্যক্তিস্বার্থ, ক্ষমতার মোহ ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে ধরে রাখা আরও কঠিন।

আজ প্রশ্ন উঠছে—জুলাই বিপ্লব দ্বিধাবিভক্ত কেন?

এর উত্তর কোনো এক ব্যক্তি, কোনো একটি দল কিংবা কোনো একটি গোষ্ঠীর কাছে সীমাবদ্ধ নয়। এই বিভেদের দায় বহন করতে হবে সবাইকে—যারা বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যারা এর সুফল পাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন, যারা রাজনীতির পুরোনো পথ ধরে নতুন সময়কে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছেন এবং যারা নীরব থেকে বিভেদের আগুনকে জ্বলতে দিয়েছেন।

বিপ্লবের সময় মানুষ এক হয়েছিল একটি অভিন্ন স্বপ্নে। কিন্তু পরিবর্তনের পর সেই স্বপ্নের জায়গায় যখন ‘আমি’ বড় হয়ে ওঠে, তখন ‘আমরা’ ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে যায়। যখন আন্দোলনের ইতিহাসকে নিজেদের একার কৃতিত্ব হিসেবে তুলে ধরার প্রতিযোগিতা শুরু হয়, তখন ত্যাগের স্মৃতি বিভক্ত হয়। যখন জনকল্যাণের চেয়ে ক্ষমতার হিসাব বড় হয়ে ওঠে, তখন আদর্শের পতাকায় স্বার্থের ছায়া পড়ে।

আজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত, রাজপথ অস্থির, রাজনীতির আঙিনায় অনিশ্চয়তা। মানুষের মনে আবারও প্রশ্ন—যে পরিবর্তনের জন্য এত ত্যাগ, এত অশ্রু, এত রক্ত, সেই পরিবর্তনের ঠিকানা কোথায়?

মানুষ কি কেবল ক্ষমতার মুখ বদলাতে চেয়েছিল? নাকি তারা চেয়েছিল রাষ্ট্রের চরিত্র বদলাতে?

নতুন মুখ যদি পুরোনো আচরণে ফিরে যায়, নতুন নেতৃত্ব যদি পুরোনো ক্ষমতার ভাষায় কথা বলে, নতুন দিনের রাজনীতি যদি আবারও দখল, প্রতিহিংসা ও বিভাজনের পথে হাঁটে—তবে বিপ্লবের প্রকৃত অর্থ কোথায়? ক্ষমতার চেয়ার বদলালেই কি রাষ্ট্র বদলায়? পতাকা বদলালেই কি মানুষের ভাগ্য বদলে যায়?

রাষ্ট্র তখনই বদলায়, যখন প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয়। যখন আইন ব্যক্তি বা দলের পরিচয়ে নয়, ন্যায় ও সত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। যখন প্রশাসন ক্ষমতাবানদের নয়, জনগণের সেবক হয়ে ওঠে। যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কারও পরিচয় জানতে হয় না। যখন বিচার বিলম্বিত হয় না এবং জবাবদিহি কেবল বক্তৃতার অলংকার হয়ে থাকে না।

আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সম্ভবত এখানেই—আমরা ব্যক্তি ও দলকে প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বড় করে দেখি। আমরা নেতৃত্বকে প্রশ্ন করার পরিবর্তে তাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করি। আমরা নীতির চেয়ে পরিচয়কে, রাষ্ট্রের চেয়ে দলকে এবং ভবিষ্যতের চেয়ে তাৎক্ষণিক লাভকে বেশি গুরুত্ব দিই। ফলে মানুষ বদলায়, ক্ষমতার পালাবদল হয়, কিন্তু রাষ্ট্রের পুরোনো ক্ষতগুলো রয়ে যায়।

তবু সব আশা কি শেষ?

না। ইতিহাসের পথ কখনো সরল নয়। প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পর আসে সংশয়, মতভেদ ও পথের দ্বন্দ্ব। কিন্তু সেই দ্বন্দ্ব যদি আত্মসমালোচনার পথ খুলে দেয়, যদি বিভাজন আমাদের আবারও মূল আদর্শে ফিরিয়ে নেয়, তবে এই সংকটও হতে পারে নতুন উপলব্ধির সূচনা।

আজ প্রয়োজন কৃতিত্বের মালিকানা নিয়ে বিবাদ নয়; প্রয়োজন দায়িত্বের অংশীদার হওয়া। প্রয়োজন কে কত বড় নেতা—সেই প্রশ্ন নয়; বরং কে কতটা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ—সেই প্রশ্ন। প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে শত্রু মনে করা নয়; বরং ভিন্নমতকে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হিসেবে গ্রহণ করা।

জুলাইয়ের চেতনা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়। এটি সেই তরুণের, যে ভয়কে উপেক্ষা করে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল; সেই মায়ের, যিনি সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠিত থেকেও পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন; সেই শ্রমজীবী মানুষের, যিনি ভেবেছিলেন—হয়তো এবার রাষ্ট্র তার কথাও শুনবে। জুলাইয়ের চেতনা বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা।

এই আকাঙ্ক্ষাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের ক্ষমতার রাজনীতি থেকে নীতির রাজনীতিতে ফিরতে হবে। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচারকে রাষ্ট্রের ভিত্তি করতে হবে। বিভেদ নয়, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—বিপ্লব ঘটানো কঠিন, কিন্তু বিপ্লবের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখা আরও কঠিন। কারণ বিপ্লবের সময় মানুষ একটি অভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক হয়; আর বিপ্লবের পর তাকে নিজের ভেতরের লোভ, অহংকার, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা ও স্বার্থের সঙ্গে লড়াই করতে হয়।

আজ তাই প্রশ্ন—জুলাই বিপ্লব দ্বিধাবিভক্ত কেন—তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনও জুলাইয়ের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই?

বাংলার আকাশে কি কোনো দিন এমন এক ভোর আসবে, যেখানে ক্ষমতার চেয়ে নীতি বড় হবে? ব্যক্তির চেয়ে রাষ্ট্র বড় হবে? দলীয় স্বার্থের চেয়ে মানুষের অধিকার বড় হবে?

সেই ভোর আসবে কি না, তা নির্ভর করছে আজকের আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর।

যদি আমরা বিভেদের দেয়াল ভেঙে আবারও ন্যায়ের পথে দাঁড়াতে পারি, যদি ক্ষমতার মোহের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের স্বার্থকে বড় করে দেখতে পারি, যদি সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিকে কেবল স্লোগান নয়—রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করতে পারি, তবে জুলাইয়ের স্বপ্ন এখনও বেঁচে থাকবে।

আর যদি আমরা ব্যর্থ হই, তবে ইতিহাস হয়তো একদি

জুলাই বিপ্লবের ভাঙা আয়না: বিভেদের দায় কার?
প্রগতিশীল কন্ঠস্বর মোঃ সেলিম উদ্দীন ।
দুই বছরও পূর্ণ হলো না জুলাই বিপ্লবের। অথচ যে স্বপ্ন একদিন মানুষের চোখে নতুন ভোরের আলো জ্বেলেছিল, আজ সেই স্বপ্নের আকাশে জমেছে বিভেদের কালো মেঘ। যে কণ্ঠ একদিন অন্যায়ের বিরুদ্ধে একসঙ্গে উচ্চারিত হয়েছিল, আজ সেই কণ্ঠের ভেতর শোনা যায় অভিযোগের প্রতিধ্বনি। যে হাত একদিন পরস্পরের হাত ধরে পরিবর্তনের পথে এগিয়েছিল, আজ সেই হাতের মাঝখানে সন্দেহ, প্রতিযোগিতা ও ক্ষমতার দূরত্ব।

জুলাই ছিল শুধু একটি আন্দোলনের নাম নয়; জুলাই ছিল মানুষের দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভের বিস্ফোরণ, অবহেলিত মানুষের আকাঙ্ক্ষার ভাষা, তরুণ প্রজন্মের সাহসী উচ্চারণ। সেখানে ছিল একটি স্বপ্ন—রাষ্ট্র হবে মানুষের, ক্ষমতা হবে জবাবদিহির, আইন হবে সবার জন্য সমান এবং ভবিষ্যৎ হবে বৈষম্য ও ভয়মুক্ত।

কিন্তু বিপ্লবের পথ যতটা উজ্জ্বল, তার পরের পথ ততটাই কঠিন। কারণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো সহজ হতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের ভিত্তিতে নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করা কঠিন। পুরোনো শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব, কিন্তু সেই ঐক্যকে ব্যক্তিস্বার্থ, ক্ষমতার মোহ ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে ধরে রাখা আরও কঠিন।

আজ প্রশ্ন উঠছে—জুলাই বিপ্লব দ্বিধাবিভক্ত কেন?

এর উত্তর কোনো এক ব্যক্তি, কোনো একটি দল কিংবা কোনো একটি গোষ্ঠীর কাছে সীমাবদ্ধ নয়। এই বিভেদের দায় বহন করতে হবে সবাইকে—যারা বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন, যারা এর সুফল পাওয়ার প্রত্যাশা করেছেন, যারা রাজনীতির পুরোনো পথ ধরে নতুন সময়কে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছেন এবং যারা নীরব থেকে বিভেদের আগুনকে জ্বলতে দিয়েছেন।

বিপ্লবের সময় মানুষ এক হয়েছিল একটি অভিন্ন স্বপ্নে। কিন্তু পরিবর্তনের পর সেই স্বপ্নের জায়গায় যখন ‘আমি’ বড় হয়ে ওঠে, তখন ‘আমরা’ ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে যায়। যখন আন্দোলনের ইতিহাসকে নিজেদের একার কৃতিত্ব হিসেবে তুলে ধরার প্রতিযোগিতা শুরু হয়, তখন ত্যাগের স্মৃতি বিভক্ত হয়। যখন জনকল্যাণের চেয়ে ক্ষমতার হিসাব বড় হয়ে ওঠে, তখন আদর্শের পতাকায় স্বার্থের ছায়া পড়ে।

আজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত, রাজপথ অস্থির, রাজনীতির আঙিনায় অনিশ্চয়তা। মানুষের মনে আবারও প্রশ্ন—যে পরিবর্তনের জন্য এত ত্যাগ, এত অশ্রু, এত রক্ত, সেই পরিবর্তনের ঠিকানা কোথায়?

মানুষ কি কেবল ক্ষমতার মুখ বদলাতে চেয়েছিল? নাকি তারা চেয়েছিল রাষ্ট্রের চরিত্র বদলাতে?

নতুন মুখ যদি পুরোনো আচরণে ফিরে যায়, নতুন নেতৃত্ব যদি পুরোনো ক্ষমতার ভাষায় কথা বলে, নতুন দিনের রাজনীতি যদি আবারও দখল, প্রতিহিংসা ও বিভাজনের পথে হাঁটে—তবে বিপ্লবের প্রকৃত অর্থ কোথায়? ক্ষমতার চেয়ার বদলালেই কি রাষ্ট্র বদলায়? পতাকা বদলালেই কি মানুষের ভাগ্য বদলে যায়?

রাষ্ট্র তখনই বদলায়, যখন প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হয়। যখন আইন ব্যক্তি বা দলের পরিচয়ে নয়, ন্যায় ও সত্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। যখন প্রশাসন ক্ষমতাবানদের নয়, জনগণের সেবক হয়ে ওঠে। যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কারও পরিচয় জানতে হয় না। যখন বিচার বিলম্বিত হয় না এবং জবাবদিহি কেবল বক্তৃতার অলংকার হয়ে থাকে না।

আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা সম্ভবত এখানেই—আমরা ব্যক্তি ও দলকে প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বড় করে দেখি। আমরা নেতৃত্বকে প্রশ্ন করার পরিবর্তে তাকে অন্ধভাবে অনুসরণ করি। আমরা নীতির চেয়ে পরিচয়কে, রাষ্ট্রের চেয়ে দলকে এবং ভবিষ্যতের চেয়ে তাৎক্ষণিক লাভকে বেশি গুরুত্ব দিই। ফলে মানুষ বদলায়, ক্ষমতার পালাবদল হয়, কিন্তু রাষ্ট্রের পুরোনো ক্ষতগুলো রয়ে যায়।

তবু সব আশা কি শেষ?

না। ইতিহাসের পথ কখনো সরল নয়। প্রতিটি বড় পরিবর্তনের পর আসে সংশয়, মতভেদ ও পথের দ্বন্দ্ব। কিন্তু সেই দ্বন্দ্ব যদি আত্মসমালোচনার পথ খুলে দেয়, যদি বিভাজন আমাদের আবারও মূল আদর্শে ফিরিয়ে নেয়, তবে এই সংকটও হতে পারে নতুন উপলব্ধির সূচনা।

আজ প্রয়োজন কৃতিত্বের মালিকানা নিয়ে বিবাদ নয়; প্রয়োজন দায়িত্বের অংশীদার হওয়া। প্রয়োজন কে কত বড় নেতা—সেই প্রশ্ন নয়; বরং কে কতটা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ—সেই প্রশ্ন। প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে শত্রু মনে করা নয়; বরং ভিন্নমতকে গণতন্ত্রের স্বাভাবিক সৌন্দর্য হিসেবে গ্রহণ করা।

জুলাইয়ের চেতনা কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়। এটি সেই তরুণের, যে ভয়কে উপেক্ষা করে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল; সেই মায়ের, যিনি সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উৎকণ্ঠিত থেকেও পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলেন; সেই শ্রমজীবী মানুষের, যিনি ভেবেছিলেন—হয়তো এবার রাষ্ট্র তার কথাও শুনবে। জুলাইয়ের চেতনা বাংলাদেশের মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা।

এই আকাঙ্ক্ষাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আমাদের ক্ষমতার রাজনীতি থেকে নীতির রাজনীতিতে ফিরতে হবে। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচারকে রাষ্ট্রের ভিত্তি করতে হবে। বিভেদ নয়, জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—বিপ্লব ঘটানো কঠিন, কিন্তু বিপ্লবের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখা আরও কঠিন। কারণ বিপ্লবের সময় মানুষ একটি অভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক হয়; আর বিপ্লবের পর তাকে নিজের ভেতরের লোভ, অহংকার, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা ও স্বার্থের সঙ্গে লড়াই করতে হয়।

আজ তাই প্রশ্ন—জুলাই বিপ্লব দ্বিধাবিভক্ত কেন—তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনও জুলাইয়ের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই?

বাংলার আকাশে কি কোনো দিন এমন এক ভোর আসবে, যেখানে ক্ষমতার চেয়ে নীতি বড় হবে? ব্যক্তির চেয়ে রাষ্ট্র বড় হবে? দলীয় স্বার্থের চেয়ে মানুষের অধিকার বড় হবে?

সেই ভোর আসবে কি না, তা নির্ভর করছে আজকের আমাদের সিদ্ধান্তের ওপর।

যদি আমরা বিভেদের দেয়াল ভেঙে আবারও ন্যায়ের পথে দাঁড়াতে পারি, যদি ক্ষমতার মোহের ঊর্ধ্বে উঠে রাষ্ট্রের স্বার্থকে বড় করে দেখতে পারি, যদি সুশাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিকে কেবল স্লোগান নয়—রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি করতে পারি, তবে জুলাইয়ের স্বপ্ন এখনও বেঁচে থাকবে।

আর যদি আমরা ব্যর্থ হই, তবে ইতিহাস হয়তো একদিন কঠিন প্রশ্ন করবে—

যে স্বপ্নের জন্য মানুষ এক হয়েছিল, সেই স্বপ্নকে বিভক্ত করল কারা?

জুলাইয়ের প্রকৃত বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের বিজয় নয়। জুলাইয়ের প্রকৃত বিজয় হবে সেই দিন, যেদিন ক্ষমতার চেয়ে নীতি বড় হবে, ব্যক্তির চেয়ে রাষ্ট্র বড় হবে এবং লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে সুশাসন, ন্যায় ও জবাবদিহিতা।

সেই দিনের অপেক্ষায় আজও বাংলাদেশ।

কারণ বিপ্লবের শেষ কথা ক্ষমতা নয়—
বিপ্লবের শেষ কথা মানুষের মুক্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
https://slotbet.online/