নীলফামারী জেলায় কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে -এর উপপরিচালকের কার্যালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জেলার কৃষি কার্যক্রমে এসেছে নতুন গতি।
এ কার্যালয়ের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মনজুর রহমান বলেন, “আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের আরও দক্ষ ও স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”
-এর বিভিন্ন উপজেলায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং উৎপাদনমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের সক্রিয় উপস্থিতি, কৃষকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং সময়োপযোগী পরামর্শ কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।
কৃষিবিদ মোঃ মনজুর রহমানের দিকনির্দেশনায় উন্নত জাতের বীজ বিতরণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে ধান, ভুট্টা, গমসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।
এছাড়াও, ডিজিটাল কৃষি সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে দ্রুত তথ্য পৌঁছে দেওয়া, অনলাইন ও সরাসরি পরামর্শ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে কৃষকরা সহজেই রোগবালাই প্রতিকার, সার ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনা পাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। আধুনিক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার ঘোষিত নীতিমালার আলোকে কাজ করছে উপপরিচালকের কার্যালয়।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, উপপরিচালকের কার্যালয়ের কার্যকর উদ্যোগ, নিয়মিত তদারকি এবং আন্তরিক সহযোগিতার ফলে কৃষিকাজ এখন আরও সহজ, লাভজনক ও টেকসই হয়ে উঠেছে, যা জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
https://slotbet.online/