মুহাম্মদ রফিক উদ্দিন, ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুরে ইউপি সদস্য কসাই নুর মোহাম্মদ ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের নির্মম নির্যাতনে মারা যান তিন সন্তানের জনক ড্রাইভার ফয়সাল মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী বাবু।
সেলিম বাবুর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও খুনিদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
৩০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে নতুন অফিস বাজার প্রাঙ্গনে আয়োজিত বৃহত্তর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, শ্রমিক নেতা সেলিম আকবর, ঈদগাঁও প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক শেফাইল উদ্দিন, জামাত নেতা সাহাব উদ্দিন, এড,মোহাম্মদ তারেক,
নিহতের জেঠাত ভাই দেলোয়ার, মা দিলদার বেগম, স্ত্রী জেসমিন আকতার, হিহতের চাচা মাস্টার মোস্তাক,
মাষ্টার আবু তাহের, মামা ইফতেখার উদ্দিন মিল্টন,সাবেক মেম্বার নুরুল আজিম, ইউসুফ নবী,সেলিম কোম্পানি , নিহতের পিতা সোলাইমান ড্রাইভার সহ আরো অনেকে।
এই মানববন্ধন নিহতের ছোট্ট সন্তানরাও অংশ নেন। তারা তাদের বাবার হত্যার বিচার দাবি, তার স্ত্রী স্বামী হত্যার বিচার ও তারই গর্ভধারীনি মা তার ছেলের হত্যার বিচার দাবিতে প্লেকার্ড হাতে নিয়ে মানববন্ধনে উপস্থিত হন। এই সময় তারা অঝর নয়নে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ইসলামপুরের নতুন অফিস বাজারে সড়কের পশ্চিম পাশে রিফাত সড়ক সংলগ্ন আয়োজিত এই দীর্ঘ লাইন মানববন্ধনে এলাকার বিপুল সংখ্যক নারী পুরুষ অংশ করেন। তাদের হাতে প্লেকার্ড এবং ব্যানার ছিল। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তারা, সেলিম বাবুর হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান প্রশাসনের প্রতি।
উল্লেখ যে, ইসলামপুরে অমানবিক নির্যাতনের শিকার সেলিম বাবু দীর্ঘ ১২ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।
নিহতের পরিবারের দাবি ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষের হয়ে কাজ করার পুরনো ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ১৬ এপ্রিল (বুধবার) রাত আনুমানিক এগারটার দিকে ইউনিয়নে মধ্যম নাপিতখালী সোলাইমান ড্রাইভারের ছেলে সেলিম বাবুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মাছ চুরির নাটক সাজিয়ে চিংড়ি ঘেরে চালানো হয় কয়েক দফা নৃশংস নির্যাতন।
গত ২৬ এপ্রিল সেলিম বাবুর মা দিলদার বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন।
https://slotbet.online/