মোঃ ময়নুল হক,স্টাফ রিপোর্টার_
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বিশ্বকবি, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনে ও সাহিত্যের ভূবণে এক অবিস্মরণীয় নাম ‘সাজাদপুর’ (শাহজাদপুর) শাহজাদপুরের উন্মুক্ত উদার দ্বারে এসে নিখিল বিশ্বের সামনে কবি প্রাণের গভীর বন্ধন সূচিত হয়। তাঁর চিত্তে ও কর্মবোধের সর্বোচ্চ সমন্বয় ঘটেছিলো শাহজাদপুরের অঙ্গণে এসে।
কবিগুরুর সেই স্মৃতিধন্য শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারিবাড়িতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কবিগুরুর ৩ দিনব্যাপী জন্মোউৎসবের আয়োজন করেছে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
২৫ শে বৈশাখ (শুক্রবার ) সকালে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শাহজাদপুরের রবীন্দ্র কাছারিবাড়িতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মোৎসব উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপী রবীন্দ্র জন্মোউৎসব উদযাপন শুরু হয়েছে।
এদিন বেলা সাড়ে ১০ টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে ৩ দিনের ওই অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু । এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডক্টর এম এ মুহিত।
উদ্বোধনী দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি দেখাশোনার জন্য শাহজাদপুরে এসে ভালোবেসে ফেলেছিলেন শাহজাদপুরের মাটি ও মানুষকে। এ অঞ্চলের মানুষের সাথে তাঁর ছিলো মানবিক সম্পর্ক। সোনারতরী, পোষ্টমাষ্টারসহ অসংখ্য দুর্লভ সাহিত্য এখানে বসেই তিনি রচনা করেছেন যা বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ এখনও বেঁচে রয়েছেন, থাকবেন তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে!
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৩দিনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী দিনেই অসংখ্য রবীন্দ্র অনুরাগী ও ভক্তের আগমনে মুখরিত ও প্রাঞ্জলিত হয়ে উঠেছে কাছাড়িবাড়ি প্রাঙ্গণ। রবীন্দ্র অনুরাগী ও ভক্তরা কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত কাছারিবাড়ি বেরিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।
আজ ২৫ শে বৈশাখ,কাল ২৬শে বৈশাখ ও পরশু ২৭ শে বৈশাখ শুক্র, শনিবার ও রবিবার রবীন্দ্র কাছারিবাড়ি মিলনায়তনে বরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে দিনভর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। ৩ দিনের রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্বা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
https://slotbet.online/