বরিশাল জেলা প্রতিনিধি: বরিশাল জেলাধীন বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়ন দীর্ঘদিন যাবৎ উন্নয়ন বঞ্চিত। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কোন উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি এই ইউনিয়নে। ২০২৪ ইং সালের জুলাই গনঅভূথানের পরে নিয়ামতি ইউনিয়নের উন্নয়ন করার জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং নিয়ামতি ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল মালেক শিকদার এর সুযোগ্য সন্তান এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ। তার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যহত রাখতে তার প্রচেষ্টায় বর্তমানে চলমান কাজ নিয়ামতি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যেমনঃ চালিতাতলা বাজার থেকে সোনাবরু মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পশ্চিম কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে চামটা বোয়ালিয়া সড়ক পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃ মিঃ কার্পেটিং, যার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এই রাস্তার কাজের উদ্ভোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব আবদুল মালেক শিকদার ২০ শে জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ। তার প্রচেষ্টায় টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৬ নং ওয়ার্ডের খাস মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্বে দীর্ঘ ৩-৪ বছর পূর্বে ভাঙ্গা কালভার্ট, সোনাবরু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাঠ ভরাট করণ তার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায়, ৪ নং ওয়ার্ডের সিকদার বাড়ী পুরাতন মসজিদ সংলগ্ন টয়লেট ও প্রসাবখানা নির্মান, ২০২৪-২৫ ইং অর্থবছরে তার প্রচেষ্টায় পশ্চিম কৃষ্ণনগর খেয়াঘাটের ইট সলিং রাস্তা, টয়লেট-প্রসাবখানা ও ঘাটলা নির্মাণ সহ ৪ টি ইট সলিং রাস্তা বাস্তবায়ন করেন। এছাড়া তিনি অবহেলিত নিয়ামতি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ব্রীজ, রাস্তা নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি যথাক্রমে: মহেশপুর বাজারের তালুকদার বাড়ীর ব্রীজ, ৩নং ওয়ার্ডের রামনগর হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসার মহেশপুর থেকে রামনগর বড় ব্রীজ, ডহরকোলা থেকে ডিসিরহাটের সংযোগ ব্রীজ (যাহা দীর্ঘদিন যাবৎ ভাঙ্গা অবস্থায় রয়েছে) জনসাধারনের চলাচলের অনুপযোগী, টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন চামটা কৃষ্ণনগর বাজার থেকে রুপারঝোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা। মহেশপুর সাহা বাড়ি থেকে খাস মহেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে ডিসিরহাট পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা, বাংলাবাজার থেকে কাফিলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হয়ে কাফিলা বাজার পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা, মহেশপুর-রামনগর সংযোগ ব্রীজ থেকে পালপাড়া হয়ে রুপারঝোড় সরদারপাড়া পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা, কামাল চেয়ারম্যান এর বাড়ীর সামনে থেকে ফিডার স্কুল পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা। এ রাস্তা গুলো নিয়ে মহামান্য প্রজেক্ট ডায়রেক্টর (বরিশাল প্রজেক্ট) এর সাথে আলোচনা করার পর তিনি রাস্তাগুলো অতি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন। পাদ্রীশিবপুর (মার্কেট) থেকে নিয়ামতি পর্যন্ত রাস্তাটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী থাকায়। নিয়ামতি ইউনিয়ন উন্নয়নের আরেক কারিগর বশির আহম্মেদ (নিপু) ও এস, এম নিয়াজ মোর্শেদের প্রচেষ্ঠায় দীর্ঘদিন পরে টেন্ডার বাস্তবায়ন হয়, যাহার কাজ বর্তমানে চলমান। আলহাজ্ব এস, এম নিয়াজ মোর্শেদ তিনি পেশায় একজন (প্রথম শ্রেণীর) ঠিকাদার, যাহার সুবাধে তার সাথে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে সু-সম্পর্ক রয়েছে এর ফলে উপরোক্ত কাজগুলো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ সহজ হয়েছে। তিনি আমাদের সংবাদদাতাকে বলেন যে, আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই, আমি অবহেলিত নিয়ামতি ইউনিয়নের রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্রীজ-কালভার্ট সহ বিভিন্ন উন্নয়মূলক কাজে আমার চেষ্টা চলমান রাখতে চাই। তিনি আরো বলেন যে, আমার চেষ্টা ও শ্রম দিয়ে অবহেলিত নিয়ামতি ইউনিয়ন একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নত মানের ইউনিয়ন গঠনে অবদান রাখতে চাই। তিনি আরো বলেন আমি চাইনা আমি এমন কোন উন্নয়ন যাহাতে পরবর্তী সময়ে জনসাধারনের ভোগান্তি হয়।
https://slotbet.online/