বিশেষ প্রতিনিধি :
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৯ আসনে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ মনোনীত প্রার্থী ও শ্রমিক নেতা কামরুল ইসলাম মৃধা বলেছেন, এলাকার গরিব ও দুঃখী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য আগামী নির্বাচনে হারিকেন প্রতীকে ভোট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। শুক্রবার দিনব্যাপী সাভার উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, হাট-বাজার, শ্রমঘন শিল্পাঞ্চল এবং সাধারণ মানুষের বসতিপূর্ণ এলাকায় নির্বাচনীয় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন কামরুল ইসলাম মৃধা পায়ে হেঁটে সাধারণ মানুষের বাড়ি, দোকানপাট ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার প্রতীক হারিকেনে ভোট প্রার্থনা করেন। গণসংযোগে তার সঙ্গে জিএমএলের স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ জনগণ, শ্রমজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও দাবিদাওয়া মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেগুলোর বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন। কামরুল ইসলাম মৃধা বলেন,“ঢাকা-১৯ আসনে খেটে খাওয়া মানুষের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। এই শ্রমজীবী মানুষের আয়ের ওপরই মূলত এলাকার অর্থনীতি ও উন্নয়ন নির্ভরশীল। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তারাই সবচেয়ে বেশি অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার। আমি এসব মানুষের পাশে থাকতে চাই এবং তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই রাজনীতি করছি। তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে তার প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে এলাকা থেকে মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূল করা এবং একটি সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন করা। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতকরণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর ও টেকসই উদ্যোগ নেওয়া হবে।সাভারের ব্যাংক কলোনি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি বলেন,“বিগত সময়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি জনকল্যাণমুখী ছিল না। যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা অধিকাংশ সময় নিজেদের স্বার্থ নিয়েই ব্যস্ত ছিলেন। এর ফলে এলাকার সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আজও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, জলাবদ্ধতা ও নানামুখী নাগরিক দুর্ভোগ রয়ে গেছে।গণসংযোগে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাটের খারাপ অবস্থা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিসহ নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ সময় কামরুল ইসলাম মৃধা এসব সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দৃঢ় আশ্বাস দেন। এদিন বিকেলে তিনি আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকায় গণসংযোগ করেন। সেখানে তিনি বলেন, শিল্পাঞ্চল হওয়া সত্ত্বেও এই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। পর্যাপ্ত উন্নয়ন না হওয়ায় শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত লাঞ্ছনা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। আমি সবসময় শ্রমজীবী মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকাকে একটি মডেল এলাকায় পরিণত করাই আমার লক্ষ্য।গণসংযোগ শেষে তিনি ঢাকা-১৯ আসনের সর্বস্তরের জনগণের কাছে হারিকেন প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
https://slotbet.online/