আওরঙ্গজেব কামাল :
দেশব্যাপী আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রার্থী ও তাদের সমর্থকেরা পাড়া-মহল্লা, বাজার ও অলিগলিতে ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের নানা প্রতিশ্রুতি ঘিরে প্রচারণা চলছে উৎসবমুখর পরিবেশে। এই প্রচারণা যেন গণতন্ত্রের নতুন এক প্রত্যাশার বার্তা দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে খুলনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন—খুলনা-২ ও খুলনা-৩—নির্বাচনী রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। জন্মসূত্রে খুলনার মানুষ হওয়ায় এ অঞ্চলের মাটি ও মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক আবেগঘন। সেই অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা থেকেই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে এই দুই আসনের রাজনৈতিক চিত্র, প্রার্থী ও ভোটারের মনোভাব নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করছি। উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা যেন গণতন্ত্রের বিজয়ের এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সামনে রেখে খুলনা-২ আসনে ক্রমেই বাড়ছে নির্বাচনী তৎপরতা। সোনাডাঙ্গা ও খুলনা মহানগরীর আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় । আমার জানামতে খুলনা-২ ও খুলনা-৩—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসনের রাজনীতি, প্রার্থী ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার গুরুত্ব অনেক। যেহেতু আমার জন্মস্থান খুলনায় সেই সুবাদে খুলনার মা মাটি মানুষের সাথে আমার অন্যরকম সম্পর্ক রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখে এ দুই আসন নিয়ে কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারে প্রতিশ্রুতি, কথার লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঠে সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতা ও সংঘাত বাড়ছে।ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলাসহ নানাবিধ অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। তবে এলাকা ঘুরে দেখা যায় মূল লড়াইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রাধান্য পাচ্ছেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি),শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামি),ফরিদুল হক (এনসিপি) আমানুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ),মো. শাহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস) নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এই দলগুলি ছাড়াও স্বতন্ত্র বা অন্যান্য দলগুলো থেকেও প্রার্থীর সংখ্যা রয়েছে, কিন্তু তাদের প্রভাব তুলনামূলক কম বলে দেখা যায়। খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রবীণ ও অভিজ্ঞ নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত একটি নাম। তার সরলতা ও ব্যক্তিগত আচরণের কারণে এ অঞ্চলের অনেক মানুষের কাছে তিনি গ্রহণযোগ্য। একসময় তিনি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি বিএনপির জনপ্রীয় একজন সিনিয়র নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য। আমার মনে হয় এবার খুলনা-২ আসনে তাকে মনোনয়ন দিয়ে বিএনপি সুবিধাজনক স্থানে রয়েছেন। দলের সকলে সকল দিধাদন্দ ভুলে তার পক্ষে এলাকায় সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। আমার জানামতে তিনি আইনশাস্ত্র (LLB) ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। আমার জানামনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিক। তিনি সংসদে গেলে এলাকার দাবি-দাওয়া
তুলনামূলকভাবে ভালোভাবেই আদায় করে আনতে পারবেন—এমন বিশ্বাস তার সমর্থকদের।বিএনপি থেকে মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অঞ্চলের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পায়ে হেঁটে ঢুকে নির্বাচন প্রচারণা চালাচ্ছেন। গল্লামারি, সের-এ-বাংলা রোড ও বনরগতি বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি মিছিল ও গণসংযোগ করছেন, যেখানে সমর্থকদের উপস্থিতি উৎসবমুখী বলে দাবি করেছেন তিনি। এ সময় প্রচারণা সম্পর্কে তিনি বলেছেন, জননেতা তারেক রহমানের অঙ্গীকার সবার আগে বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষে তিনি একটি কল্যাণমূলক, আধুনিক ও উন্নয়নমুখী খুলনা গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে চান। নির্বাচনী পরিবেশকে সাধারণত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন মঞ্জু, এবং তিনি নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে ভোট স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়। এ আসনে নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছেন এডভোকেট জাহাঙ্গীর হুসাইন। খুলনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল তুলনামূলকভাবে তরুণ ও শিক্ষিত। একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি এলাকার মানুষের সমস্যা ও বাস্তবতা বোঝার সক্ষমতা রাখেন বলেই মনে হয়। প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে তিনি মাঠ পর্যায়ে বেশ সক্রিয় ভাবে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে বয়স ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তার জনপ্রিয়তা নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মতো ব্যাপক নয়। তবুও এই আসনের ফলাফল নির্ভর করবে মূলত তরুণ ভোটার ও আসনের সুইং ভোটের ওপর। তরুণদের অংশ গ্রহণ ও সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত ফল নির্ধারণ করতে পারে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পূর্ব থেকেই মাঠে সক্রিয়; জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, এবং অন্যান্য দলগুলোও খুলনা বিভাগে কর্মসূচি চালাচ্ছে। ইসলামী দলগুলোতে কর্মসূচির মাপকাঠি সম্প্রসারণের চেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে। জামায়াতে ইসলামী নেতারা খুলনা নির্বাচনী সমাবেশে তরুণদের কর্মসংস্থান, শিল্প-কারখানা পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন সামাজিক ভাবনা নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন এবং ভোটারদেরকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে মুফতী আমানুল্লাহ “হাত-পাখা” প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।তিনি সোনাডাঙ্গা থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ, পথসভা এবং উঠান বৈঠক করেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন। তার প্রচারে কিছুটা হলেও জামাতের ভোটে কিছুটা হলেও চির ধরবে এমন মন্তব্য জনসাধারনের। খুলনা ২ আসনের এনসিপির প্রার্থীর বর্তমান অবস্থা খুব শক্তি শালী হিসাবে অবস্থান করতে দেখা যায়নি। তবে জামাতের সাথে জোট করায় হয়তোর তাদের ভোট জামাতের দিকে যাবে। খুলনা-২ আসন সোনাডাঙ্গা ও খুলনা সদর নিয়ে গঠিত। জাতীয় সংসদের ১০০ নম্বর আসন খুলনা-২। খুলনা জেলা নির্বাচন অফিসের চলতি বছরের নভেম্বর মাসের তথ্য মতে, এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৪ হাজার ১২২, নারী ভোটার ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৩ ও হিজড়া ভোটার ১০ জন। আসনটিতে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৭ টি। স্বাধীনতার পর খুলনা-২ আসনে আওয়ামী লীগ ১৯৭৩, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জয় পেয়েছে। এরমধ্যে ১৯৭৩ সাল বাদ দিলে বাকি তিনবারই বিতর্কিত নির্বাচন। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে শেখ রাজ্জাক আলী (মৃত) বিএনপির টিকিটে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচন করে বিজয়ী হন। এরপর তার ছেড়ে দেওয়া আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মহানগর বিএনপির তৎকালীন মহানগর আহ্বায়ক আলী আসগর লবী। আর ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৯০ হাজার ৯৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর, খালিশপুর ও খান জাহান আলী থানার অন্তর্ভুক্ত এই আসনে এবার রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৯ জন প্রার্থী। এর আগে ঋণ খেলাপি ও অন্যান্য অনিয়মের কারণে ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে রকিবুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আওয়াল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, জাতীয় পার্টি থেকে মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, খেলাফত মজলিশ থেকে এফ এম হারুন-উর-রশিদ, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল থেকে জর্নাদান দত্ত এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক লীগ থেকে শেখ আরমান হোসেন।এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন মো. মুরাদ খান লিটন ও মঈন মোহাম্মদ মায়াজ।তবে খুলনা-৩ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন রকিবুল ইসলাম বকুল। রাজনীতির শুরু থেকেই তাকে মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকতে দেখা গেছে। ব্যক্তিগতভাবে তিনি সৎ, শিক্ষিত ও ভদ্র একজন মানুষ—এমন ধারণা অনেকের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা এই নেতা । খুলনা-৩ (ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬) আসনে বাংলাদেশ এনামি ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি) এর প্রার্থী হলেন রকিবুল ইসলাম বকুল । তিনি এই আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। খুলনা-৩ আসন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নানা পরিকল্পনার কথাও বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছেন। খুলনার বিএনপির রাজনীতিতে বর্তমানে তার প্রভাব তুলনামূলক ভাবে বেশি বলেই মনে করেন অনেকে। মাঠপর্যায়ে তার প্রচার-প্রচারণাও চোখে পড়ার মতো। সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক সক্ষমতার বিচারে তাকে একজন শক্ত প্রার্থী বলেই ধরা যায়। তবে এখানেই আসে একটি বড় প্রশ্ন। রকিবুল ইসলাম বকুলের শক্তিশালী হতে অবশ্যই স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীদের সহযোগীতার প্রয়োজন। যদি বিএনপির নেতা কর্মীরা তার পাশে থাকে তাহলে রকিবুল ইসলাম বকুল জয়ী হবার সম্ভানা রয়েছে বলে মনে করেন বিশিষ্ঠ জনেরা। কিন্ত এই আসনে বিএনপির মুল প্রতিদন্দী প্রার্থী মাহফুজুর রহমান। তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদন্দীতা করছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সৎ, সহজ-সরল ও ভদ্র একজন মানুষ বলেই মনে হয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন হলো—তিনি যদি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তাহলে সংসদে গিয়ে এই আসনের মানুষের দাবি-দাওয়া কতটা কার্যকরভাবে আদায় করতে পারবেন? তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও প্রভাব নিয়ে অনেকেই সন্দিহান। এছাড়া প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রেও তিনি অনেকটাই পিছিয়ে। রকিবুল ইসলাম বকুল যেভাবে মাঠ দখল করে প্রচার চালিয়েছেন, তার তুলনায় মাহফুজুর রহমানের প্রচার ছিল খুবই সীমিত। ফলে খুলনা-৩ আসনের অনেক ভোটার এখনো তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন না। অনেক ক্ষেত্রেই প্রতীকের ভিত্তিতে ভোট পড়তে পারে, যা ব্যবধান তৈরি করতে পারে। তবে এখানেই মনে রাখা জরুরি—ভোট কেবল প্রতীকে নয়, প্রার্থী, যোগ্যতা, আচরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিবেচনা করেই দেওয়া উচিত। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে, এলাকার জন্য যিনি ভালো হবেন—তাকেই ভোট দেওয়া গণতান্ত্রিক চেতনার পরিচয়। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. আওয়াল এই আসনে প্রার্থী হওয়ায় জামাত ইসলামীর কিছুটা হলেও ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশিষ্ট জনেরা। আমার জানা মতে খুলনা-২ ও খুলনা-৩—দুটি আসনই এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। এখানে ব্যক্তির যোগ্যতা, চারপাশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি, অভিজ্ঞতা, সততা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা—সবকিছু বিবেচনায় নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। দল নয়, প্রতীক নয়—সবার আগে ভাবতে হবে, কাকে ভোট দিলে এলাকার মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ভালো হবে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এখানেই। সব মিলিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনা-২ ও খুলনা -৩ আসনে এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জমজমাট মুল প্রতিদন্দীতা হবে বিএনপির প্রার্থী ও জামাতের প্রার্থীর মধ্যে —এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ভোটার ও পর্যবেক্ষকরা। খুলনা-৩ আসনে মোট ২৫৪,৪০৯ জন ভোটার রয়েছে (পুরুষ, নারী ও হিজড়া সহ) — ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী। এ আসনে ১৯৭৩ সালে মীর সাখাওয়াত আলী(আওয়ামী লীগ)১৯৭৯ সালে আফতাব উদ্দিন হাওলাদার(বিএনপি) ১৯৮৬ সালে হাসিনা বানু শিরিন(জাতীয় পার্টি),১৯৮৮ সালে আব্দুল গফ্ফার বিশ্বাস(স্বতন্ত্র) ১৯৯১সালে আশরাফ হোসেন(বিএনপি),১৯৯৬ সালে কাজী সেকান্দার আলী (আওয়ামী লীগ) ২০০১সালে আশরাফ হোসেন(বিএনপি),২০০৮ সালে মন্নুজান সুফিয়ান(আওয়ামী লীগ),২০২৪ সালে এস এম কামাল হোসেন (আওয়ামীলীগ)।
লেখক ও গবেষকঃ
আওরঙ্গজেব কামাল
সভাপতি
ঢাকা প্রেস ক্লাব ও আন্তর্জাতিক প্রেস ক্লাব
https://slotbet.online/