
ভোটের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকাশ-নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ছড়িয়ে টাকা চাওয়া, সহানুভূতির অভিনয় করে ব্যক্তিগত সংকট মেটানোর চেষ্টা—এসব কি রাজনীতি? নাকি এটি জনগণের আবেগকে পুঁজি করে অর্থ আদায়ের কৌশল?
জনমনে প্রশ্ন তীব্র হচ্ছে—এমন একজন ব্যক্তি সংসদে গেলে কী করবে?
দেশের আইন প্রণয়ন করবে, নাকি নিজের সংসার চালানোর পথ খুঁজবে?
নির্বাচন কোনো ভিক্ষার ঝুলি নয়। সংসদ কোনো দাতব্য সংস্থা নয়। যে ব্যক্তি নিজের পায়ে দাঁড়াতে অক্ষম, সে কীভাবে কোটি মানুষের অধিকার রক্ষা করবে—এ প্রশ্ন এখন আর উপেক্ষা করার নয়।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনীতিকে কলুষিত করে, গণতন্ত্রকে দুর্বল করে এবং সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে চরমভাবে আঘাত করে। ভোটের নামে টাকা চাওয়া মানে জনগণের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা—এর কোনো রাজনৈতিক বৈধতা নেই।
এখনই সময়, সুবিধাবাদী ও ধান্দাবাজ মানসিকতার প্রার্থীদের স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করার।
দেশ, গণতন্ত্র এবং রাজনীতির ন্যূনতম মর্যাদা রক্ষার স্বার্থেই এদের রাজনীতির মঞ্চ থেকে বিদায় নিশ্চিত করা জরুরি।
দৈনিক প্রতিবাদ প্রকাশক ও সম্পাদক
সোহেল সরকার কর্তৃক লন্ডন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে WhatsApp +44 7574 879654
সাথী সোহেল জনকল্যাণ ফাউন্ডেশন (আর্তমানবতার সেবায়) নগদ/বিকাশঃ ০১৩০২৪৪৭৩৭৩